August 9, 2026, 11:44 am
পেকুয়া প্রতিনিধিঃ
পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা পূর্বপাড়া বায়ুতুন নুর ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা পাহাড়ে ইসলামী শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে। এ প্রতিষ্টান স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দানশীল ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তায় ২০১৮ সালে প্রতিষ্টা লাভ করেছে। বর্তমানে নার্সারী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত নিয়মিত দক্ষ শিক্ষক/শিক্ষিকার মাধ্যমে পাঠদান করা হয়। বেসরকারী পর্যায়ে প্রতিষ্টানটি প্রতিষ্টা লাভ করলেও এ প্রতিষ্টানে বাংলা, গণিত, ইংরেজী শিক্ষার পাশাপাশি কোরআন, হাদিস, ফিকাহ,তাজবীদ, নুরানী বিভাগেও শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। মাদ্রাসাটি তিন বিভাগে বিভক্ত। হেফজ,এতিমখানা ও নুরানী বিভাগ নিয়মিত চালু রয়েছে। বর্তমানে হেফজখানায় ভর্তি চলছে। মাদ্রাসায় আবাসিক/অনাবাসিক চালু রয়েছে। হেফজখানায় ২০ জন ছাত্র ভর্তির টার্গেট রয়েছে। গরীব, এতিম,মিসকীনদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার সুযোগ রয়েছে। হেফজখানা ও হোস্টেলের জন্য ভবনের জরুরী চাহিদা রয়েছে। মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মোজাম্মেল হক আনছারী জানান, বর্তমানে মাদ্রাসায় শিক্ষক/শিক্ষিকা রয়েছে হাফেজখানাসহ ৯ জন। মাদ্রাসায় যে আয় হয় সেই আয় দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন দিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করা সম্ভব হয়ে উঠছেনা। বর্তমানে মাদ্রাসাটি টিনসেড ও সেমিপাকা ১ টি ভবনের মধ্যে ৫ টি শ্রেণীকক্ষ রয়েছে। ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে প্রায় ৩০০ জন। বর্তমানে এতিমখানায় ২০ জন ছাত্র রয়েছে। তাদের জন্য আবাসিকের সুযোগ রয়েছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম জানান, মাদ্রাসার চার দিকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে কোন প্রতিষ্টান নেই। এলাকার ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার প্রয়োজনীয়তার দিকে চিন্তা করে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্টা করা হয়েছে। প্রতিষ্টানটিতে দিন দিন ছাত্র/ছাত্রী বাড়ছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজী আকতার আহমদ জানান, আমরা এলাবাসীর সহায়তায় মাদ্রাসার জায়গা ও সেমিপাকা ভবন নির্মাণ করে দিয়েছি। বর্তমানে হেফজখানার জন্য আলাদা ভবন খুবই প্রয়োজন। তিনি ভবন নির্মাণের জন্য সরকারী ও বেসরকারীভাবে সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য আকুল আবেদন করেন।